আপনারা লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন বর্তমান সময়ে কিন্তু এখন মানুষ আস্তে আস্তে করে প্রায় সকলেই কিন্তু টেকনোলজি নির্ভর হয়ে যাচ্ছে এরই অংশবিশেষ হিসাবে ঢাকা ব্যাংক নিয়ে এলো মোবাইল হোম লোন সুবিধা সকলের জন্য । এর কিছুদিন আগে আমরা দেখেছি বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে সিটি ব্যাংক হোম লোন সিস্টেম চালু করেছে যদিও সেখানে সর্বোচ্চ 20 হাজার টাকা পর্যন্ত এখন পর্যন্ত হোম লোন দেওয়া হয়ে থাকে হয়তো বা পরবর্তীতে এটি বাড়তেও পারে ।
তবে ঢাকা ব্যাংক নিয়ে আসতে চলেছে একটি আকর্ষণীয় হোম লোন সুবিধা সর্বোচ্চ তারা তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত হোম লোন সুবিধা দেবে এমনটাই জানিয়েছেন ঢাকা ব্যাংক কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এক্ষেত্রে ঢাকা ব্যাংক থেকে সর্বনিম্ন 10 হাজার টাকা থেকে শুরু হবে এই হোম লোন সুবিধা এটি পরিচালিত হবে এ আই টেকনোলজির মাধ্যমে ।
এখন আবার অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন ঢাকা ব্যাংক কাদেরকে হোম লোন সুবিধা দেবে ? কি ধরনের ঢাকা ব্যাংক থেকে হোম লোন পাওয়া যাবে ? কিংবা কত দিনের ভিতর হোম লোন পাওয়া যাবে ? এককথায় ঢাকা ব্যাংক থেকে হোম লোন পাওয়ার সকল বিস্তারিত বিষয় আজকের আর্টিকেলে তুলে ধরা হবে এজন্য আমরা আর্টিকেল এর সামনের দিকে এগিয়ে যাবো ।

ঢাকা ব্যাংক মোবাইল হোম লোন কি?

হোম অর্থ হচ্ছে বাড়ি কিংবা বাসা এই ধরনের বস্তু কে বুঝিয়ে থাকে অর্থাৎ এখন থেকে অনলাইনের মাধ্যমে ঘরে বসেই ঢাকা ব্যাংকের হোম লোন সুবিধা নেওয়া যাবে মোবাইল টেকনোলজি ব্যবহার করে । আগে আমরা জানতাম যদি আমরা কোন ব্যাংক থেকে লোন নিতে চাই তাম তাহলে সেই ব্যাংকে দিনের পর দিন আমাদের বিভিন্ন কাগজপত্র ডকুমেন্ট নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করতে হতো খাওয়া-দাওয়া করার সময়টুকু পাওয়া যেত না দিনের পর দিন আমাদেরকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হত সেই কাজগুলো করিয়ে নেওয়ার জন্য  ।
তবে এবার ঢাকা ব্যাংকের পক্ষ থেকে নিয়ে আসা হয়েছে ইন্টারনেট প্রযুক্তি এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে যে কেউ চাইলে ঘরে বসে মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করে নিতে পারবে প্রয়োজন মোতাবেক হোম লোন দিতে হবে না তেমন একটা কোন জামানত । বিষয়টা একবার ভেবে দেখুন জামানত ছাড়া লোন এমনটা কিন্তু পূর্ববর্তী সময় ভাবা যেত না আর এখন সেটা হচ্ছে অহরহ ।
এখন জামানত ছাড়া ঢাকা ব্যাংকের মাধ্যমে মোবাইল ব্যবহার করে নেওয়া যাবে হোম লোন সর্বনিম্ন 10 হাজার টাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন এমাউন্টের সর্বোচ্চ তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত ।

ঢাকা ব্যাংক লোন মোবাইল দিয়ে কিভাবে নেব?

পূর্ববর্তী সময়ে আমরা দেখেছি বিকাশের মাধ্যমে হোম লোন নেওয়ার জন্য আমাদের কোন কিছু নতুন করে করতে হয় নেই অর্থাৎ বিকাশ একাউন্ট খোলার সময় কিন্তু আমাদের এনআইডি কার্ড ব্যবহার করে অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হয়েছিল এজন্য পুনরায় আর কোন ডকুমেন্ট নতুন করে দিতে হয়নি ।
অনেকে আবার বলতে পারেন তাহলে ঢাকা ব্যাংকের তো কোন অ্যাপ্লিকেশনে আমার কোনো অ্যাকাউন্ট নেই তাহলে আমি কিভাবে ঢাকা ব্যাংক থেকে লোন পাবো এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হচ্ছে ঢাকা ব্যাংক হোম লোন দেওয়ার জন্য একটি ইসপিসিয়াল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করে রেখেছে যে অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে দেওয়া হবে মোবাইলের মাধ্যমে হোম লোন ।
এই সুবিধাটি আরো ভালোভাবে দেওয়ার জন্য ঢাকা ব্যাংক ইতিপূর্বে আরেকটি third-party কোম্পানির সাথে চুক্তি করেছে এই দুই কম্পানির যৌথ উদ্যোগে দেওয়া হবে ঢাকা ব্যাংক হোম লোন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে ।
যেহেতু এটি বিকাশ অ্যাপ্লিকেশন এর মতই একটি অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে নিতে হবে ঢাকা ব্যাংকের এই হোম লোন সেহেতু অবশ্যই সেই অ্যাপ্লিকেশনটিতে যখন একাউন্ট খুলতে হবে তখন সেখানে এনআইডি কার্ড অনুযায়ী সমস্ত ডকুমেন্ট ফিলাপ করতে হবে যেমনটা আমরা ইতিপূর্বে বিকাশ অ্যাপ্লিকেশনে করেছি ঠিক ওইভাবেই ঢাকা ব্যাংকের নতুন হোম লোন অ্যাপ্লিকেশনে একাউন্ট খুলতে হবে অবশ্যই ঢাকা ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী ঢাকা ব্যাংক হোম লোন দিয়ে থাকবে ।
আর যাদের ঢাকা ব্যাংকে ইতিপূর্বে অ্যাকাউন্ট রয়েছে তারা একটু বাড়তি সুবিধা পেতে পারেন এমনটা ধারণা করা যেতেই পারে । 

ঢাকা ব্যাংক থেকে কি লোন সবাই পাবে?

এই প্রশ্নের উত্তরে বলা যায় ঢাকা ব্যাংক কোন বাধ্যবাধকতা কারো জন্য রাখেনি ঢাকা ব্যাংকের পক্ষ থেকে যে ধরনের কন্ডিশন রয়েছে সেগুলো ফিলাপ যেই করতে পারবে তাদের কে দেবে ঢাকা ব্যাংকের পক্ষ থেকে হোম লোন তবে এটা ভুলে গেলে চলবে না ঢাকা ব্যাংক যেহেতু লোন দেবে তাদের লাভ টিত অবশ্যই তারা রেখে দেবে এবং যাদেরকে লোন দেবে তারা কি রিয়েল অ্যাক্টিভ পারসন কিনা সেটাও অবশ্যই ঢাকা ব্যাংক যাচাই করে নেবে ।
সোজাসাপ্টা ভাষায় বলতে গেলে যেমন বিকাশ অ্যাপ্লিকেশনটি যারা বেশি ব্যবহার করে কিংবা লেনদেন করে তাদেরকে দেওয়া হয় হোম লোন ঠিক ওরকম ভাবেই এখানেও কিছু কন্ডিশন তারা দিবে যারা বেশি বেশি ঢাকা ব্যাংকের সাথে সংযোগ থাকবে তাদেরকে বেশি লোন দিয়ে থাকবে আশা করি আপনারা এই কথার মাধ্যমে অনেক কিছু বুঝতে পেরেছেন ।
কারণ আমরা যেটাই করিনা কেন সেটার কিন্তু একটি নিয়ম রয়েছে আমরা যদি ভাত খেতে যাই তাহলে সেটিকে কিন্তু আমাদের বিভিন্ন তরকারি দিয়ে আগে মেখে তারপরে মুখে দিয়ে চাবিয়ে গিলতে হয় আর যদি আমরা অন্যভাবে ভাত খেতে চাই তাহলে কিন্তু সমস্যা সৃষ্টি হবে ঠিক ওরকম ভাবে কিন্তু সবকিছুরই একটি নিয়ম কারণ রয়েছে যেগুলোকে অবশ্যই মেনে নিতে হবে ।

কত দিনের ভিতর ঢাকা ব্যাংক হোম লোন পাবো?

পূর্ববর্তী সময়ে কারণে হয়তোবা এমন প্রশ্ন টি অনেকের মনে আসাটাই স্বাভাবিক কারণ পূর্বে যদি আমরা কোন ব্যাংক থেকে হোম লোন নিতে যেতাম তাহলে কিন্তু অবশ্যই আমাদের দুই থেকে তিন মাস কিংবা তারও বেশি সময় ধরে ঘোরাফেরা করতে হতো অর্থাৎ সিরিয়াল অনুযায়ী আমাদেরকে হোম লোন দিত তাও আবার বিভিন্ন বাড়ির দলিল কিংবা বিভিন্ন রকমের ডকুমেন্ট রেখে ।
এবার আর সেটি হচ্ছে না এখন যেহেতু টেকনোলজি ব্যবহার করে হোম লোন নেওয়ার সিস্টেম চালু হয়ে গেছে আমাদের দেশে । যদিও পৃথিবীর বেশ কিছু দেশে অনেক আগে থেকেই হোম লোন ডিজিটাল ভাবে নেওয়ার সিস্টেম চালু হয়ে রয়েছে ।
যতটুকু জানা গেছে হোম লোন নেওয়ার জন্য ঢাকা ব্যাংক অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ দুই ঘণ্টার মতো সময় লাগবে এর আগেও পাওয়া যেতে পারে ঢাকা ব্যাংক থেকে হোম লোন সুবিধা এমনটিই জানিয়েছে ঢাকা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ।
অর্থাৎ ঢাকা ব্যাংকের হোম লোন অ্যাপ্লিকেশন জেটি রয়েছে ওই অ্যাপ্লিকেশনটি জানিয়ে দেবে যে আপনি হোম লোন পাচ্ছেন কিনা কিংবা কত টাকা হোম লোন পাবেন কোন নিয়মগুলো আপনাকে ফলো করতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি বিষয়গুলো ঢাকা ব্যাংক অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে জানা যাবে ।

ঢাকা ব্যাংকে কত পার্সেন্ট সুদ দিতে হবে?

ঢাকা ব্যাংক থেকে জানানো হয়েছে যারা এই অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করে হোম লোন নিবেন তাদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ 9 শতাংশ পর্যন্ত হাড়ে অতিরিক্ত চার্জ করা হয়ে থাকবে । তবে সবচাইতে বড় কথা হচ্ছে ঢাকা ব্যাংক থেকে লোন নিতে গেলে সম্পূর্ণরূপে ঘুষ বিহীন লোন নেওয়া যাবে পূর্ববর্তী সময় আমরা দেখেছি লোন নিতে গেলে বিভিন্ন দালাল ধরে নিতে হতো আর সেই দালালদেরকে আবার একটা পার্সেন্ট দিয়ে দিতে হতো লোন নেওয়ার ক্ষেত্রে ।
সে দিক দিয়ে বিবেচনা করলে বাড়তি কোনো খরচ গুনতে হচ্ছে না অল্প খরচেই নেওয়া যাচ্ছে ঢাকা ব্যাংকের এই স্পেশিয়াল ডিজিটাল হোম লোন সেবাটি গ্রহণ করে প্রয়োজনমতো সমস্যার সমাধান করে নেওয়া যাবে এটি হলো একটি বড় বিষয় যেটি আমার কাছে ব্যক্তিগতভাবে মনে হয়েছে ।
এখন পর্যন্ত যেহেতু ঢাকা ব্যাংকের হোম লোন সেবাটি পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে রয়েছে অর্থাৎ পরীক্ষামূলক ভাবে তারা চালিয়ে দেখবে তার পরে তারা পূর্ণাঙ্গভাবে নির্ধারণ করবে আসলে কত পার্সেন্ট পর্যন্ত ঋণের সর্বমোট টাকার উপরে বাড়তি ইন্টারেস্ট দিতে হবে সেটা জানা যাবে এ ক্ষেত্রে আরেকটি বিষয় আপনাদের জেনে রাখা প্রয়োজন বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ ডিজিটাল লোন এর ক্ষেত্রে 10% এর বেশি সুদ কেউ নিতে পারবে না ।

ঢাকা ব্যাংক হোম লোন কি সরকার অনুমোদিত?

বাংলাদেশ ব্যাংকের আন্ডারে পরিচালিত হয়ে থাকে বাংলাদেশের 63 টিরও বেশি ব্যাংক রয়েছে সবগুলো যেহেতু কোন ব্যাংক চাইলেও বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদন ছাড়া কার্যকলাপ পরিচালনা করতে পারবে না তো বুঝতেই পারতেছেন এটি কিন্তু অবশ্যই বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত একটি প্রজেক্ট যেহেতু ঢাকা ব্যাংক পরিচালিত হয়ে আসছে বাংলাদেশ সরকারের নীতিমালা থেকে আর যেহেতু ঢাকা ব্যাংক নিজেই নিয়ে আছে এই ডিজিটাল হোম লোন সার্ভিস সেও তো আর বলার অপেক্ষা রাখে না যে এটি বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদিত ।
তবে পূর্বের ওই ধরনের অ্যাপ্লিকেশন এর মতো কিন্তু ঢাকা ব্যাংক এপ্লিকেশন হোম লোনের সুবিধা মিলানো যাবে না, আশা করি কোন ধরনের অ্যাপ্লিকেশন এর কথা বলেছি আপনারা বুঝতে পেরেছেন ইতিপূর্বে কিন্তু রেপিড ক্যাশ, ক্যাশ বাবা ইত্যাদি নামে অনেক ভুয়া কোম্পানির অ্যাপ্লিকেশন বাজারে চলে এসেছিল তারা অনেক টাকা পরিমাণে অতিরিক্ত ষুধ নিত যদিও সেগুলো বাংলাদেশ সরকারের নিয়ন্ত্রিত ছিল না এই নিয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় কিংবা টেলিভিশনে অনেক নিউজ প্রকাশিত হয়েছে ।
যাইহোক এটা আপনারা শিওর থাকতে পারেন ঢাকা ব্যাংক অফিশিয়াল ভাবে যে হোম লোন সেবাটি নিয়ে আসতে চলেছে সেটি কিন্তু অবশ্যই বাংলাদেশ সরকারের গাইডলাইন অনুযায়ী তারা পরিচালিত করে থাকবে এখানে অন্য ভাবে প্রতারিত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই ।

এখন কি ঢাকা ব্যাংক থেকে মোবাইল এর মাধ্যমে হোম লোন নিতে পারব?

এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গভাবে যেটি জানা গেছে সেটি হলো ঢাকা ব্যাংক ইতিপূর্বে বিভিন্ন গ্রাহকদেরকে হোম লোন দেওয়ার জন্য একটি ইসপিসিয়াল ডিজিটাল এপ্লিকেশন তৈরী করে রেখেছে যেটি এখন প্লে স্টোরে কিংবা অ্যাপস্টরে আসার অপেক্ষায় রয়েছে যেকোনো সময় এটি চলে আসতে পারে তখনি অ্যাকাউন্ট খুলে এনআইডি কার্ড দিয়ে ঢাকা ব্যাংকের নিয়মাবলী মেনে হোম লোন নেওয়া যাবে ।
এখন পর্যন্ত যতটুকু জানা গেছে 2022 সালের মে মাসের দিকে তারা পাইলট প্রজেক্ট এর কাজ শুরু করতে যাচ্ছে এমনটাই বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদে জানা গেছে অর্থাৎ তারা প্রথমে মে মাসের দিকে 2022 সালে তারা পরীক্ষামুলকভাবে সেবাটি চালু করবে যেমনটা করেছিল অ্যাপ্লিকেশন বিকাশ ঠিক ওরকমই তারা বেশ কিছুদিন পরীক্ষামুলকভাবে সেবাটি চালু করবে এর পরে তারা ভুল ত্রুটিগুলো সমাধান করে পুনরায় যেকোনো সময় চলতি বছরে তারা এ কার্যক্রমটি স্থায়ীভাবে পার্মালিনক করে দিবে ।
এই বিষয়ে আরো জানতে আপনারা চাইলে যেকোনো সময় ঢাকা ব্যাংকের কাস্টমার কেয়ারে ফোন করে যোগাযোগ করতে পারেন কিংবা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঢাকা ব্যাংকের যে অফিশিয়াল ওয়েবসাইট রয়েছে সেটিও ভিজিট করে আপনারা বিষয়টি আরো ভালোভাবে পর্যালোচনা করে নিতে পারেন ।
সর্বশেষ কয়েকটি কথা সুদের টাকা নেওয়া ও দেওয়া দুটোই অপরাধ সে দিক দিয়ে বিবেচনা করলে সুদে টাকা নেওয়া থেকে বিরত থাকাটাই উত্তম কাজ তবে আপনি যদি নিজ দায়িত্বে হোম লোন নিতে চান সেটি ভিন্ন কথা তবে সুদের টাকা নেওয়া এবং দেওয়া দুটোই সমান পাপের কাজ ইসলামের দৃষ্টিতে ।

By Digital Bangla 360

I am a Professional Digital marketer Web developer App developer Freelancer & Content creator

Leave a Reply

Your email address will not be published.